জোস্ন্যা রাতে নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণে টিজিবি (২০ নভেম্বর)

এটি Tour Group BD (https://web.facebook.com/groups/TourgroupBd/) এর একটি লাভজনক ইভেন্ট।

যারা যাবেন কিনা সিউর না, তারা Interested এ ক্লিক করে রাখলে টিজিবি’র সব আপডেট পাবেন। আর একেবারে সিউর হয়েই Going ক্লিক করলে আমাদের জন্য সম্ভাব্য সঙ্গী সম্পর্কে ধারণা পেতে এবং পরবর্তীতে যোগাযোগ করতে সহজ হয়।

*** আর যারা নিশ্চিতভাবে যাচ্ছেন, তারা এই ইভেন্ট নিজস্ব টাইমলাইনে শেয়ার করবেন, যেন আপনার নিজের পরিচিতরাও যাবার সুযোগ পায়।

## যাত্রার তারিখ ২০ নভেম্বর বিকেল ৪ টা ।
– ফেরার তারিখ ২৪ নভেম্বর সকাল ৬.০০ মিনিটে (আনুমানিক)
– প্যাকেজ প্রাইজ ৫২০০/- পার পারসন

( কাপল দের ৫৭০০ পার পারসন, সেটাও কাপল রুম ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে। টোটাল ৩-৪ টি কাপল রুম আছে, এবং এর মূল্যও বেশি)
– সাথে পাচ্ছেন ট্যুর গ্রুপ বিডির একটি টি-শার্ট ।

-বুকিং মানি ২৫০০/- (বিকাশ/রকেটে পাঠালে ২৫৫০ টাকা)
পাঠাতে পারবেন আসন ফাকা থাকা পর্যন্ত।

নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ। নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত নিঝুম দ্বীপ। একে ‘দ্বীপ’ বলা হলেও এটি মূলত একটি ‘চর’। নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর-ওসমান। ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তার মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন। তখন এই নামেই এর নামকরণ হয়েছিলো। পরে হাতিয়ার সাংসদ আমিরুল ইসলাম কালাম এই নাম বদলে নিঝুম দ্বীপ নামকরণ করেন। মূলত বল্লারচর, চর ওসমান, কামলার চর এবং চুর মুরি- এই চারটি চর মিলিয়ে নিঝুম দ্বীপ। প্রায় ১৪,০৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে জেগে ওঠে। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দের আগ পর্যন্ত কোনো লোকবসতি ছিলো না, তাই দ্বীপটি নিঝুমই ছিলো।[১] বাংলাদেশের বনবিভাগ ৭০-এর দশকে বন বিভাগের কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে পরীক্ষামূলক ভাবে চার জোড়া হরিণ ছাড়ে। নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দের হরিণশুমারী অনুযায়ী হরিণের সংখ্যা ২২,০০০। নোনা পানিতে বেষ্টিত নিঝুম দ্বীপ কেওড়া গাছের অভয়ারণ্য। ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে সুন্দরবনের পরে নিঝুম দ্বীপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন বলে অনেকে দাবী করেন।

নিঝুম দ্বীপ মূলত বাংলাদেশের অন্যতম একটি রিলাক্সিং প্লেস, একেবারেই ঝুট ঝামেলাহীন দুটো দিন কাটিয়ে আসতে নিঝুম দ্বীপ আমাদের অন্যতম পছন্দের যায়গা। নিঝুম দ্বীপকে আমরা খাবার দাবার আর রিলাক্সের ট্রিপ বলে থাকি। আর একটি বিখ্যাত জিনিস নিঝুম দ্বীপে ভালো পাওয়া যায়, সেটি হচ্ছে খেজুর রস। এবং খেজুর রস থেকে বানানো টাটকা লালি। চলুন এবার সবকিছুকে একেবারে নিজের করে আসি দুটি দিনের জন্য।

** ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা:
– ২০ নভেম্বর আমরা সদরঘাট থেকে লঞ্চ এর ডেকে করে যাবো হাতিয়া (কেউ কেবিন নিলে আগে জানাতে হবে, এবং সেই ক্ষেত্রে কেবিনের জন্য এক্সট্রা যত যোগ হবে, সেটি দিতে হবে),লঞ্চ ছাড়বে মঙ্গলবার বিকেল ৪.৩০ টায়।

(যাবার দিনের রাতের খাবার যার যার নিজের খরচে, নিজের মত করে। যেহেতু লঞ্চে অনেকেই পছন্দমতন খাবার খেতে চায়, আগের ট্রিপগুলোর অভিজ্ঞতা থেকেই এই প্ল্যান করা হয়েছে)

-২১ নভেম্বর সকালে হাতিয়া নেমে সেখান থেকে নেমে ট্রলারে করে নিঝুম দ্বীপ। নিঝুম দ্বীপ নেমে রিসোর্ট এ চেক ইন করে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ সেরে নিবো। লাঞ্চ করে আর বেশি দেরি না করেই চলে যাবো নিঝুম দ্বীপ এর মূল আকর্ষণ সেই বনে, যেখানে হাজারো হরিণ থাকে।
সন্ধ্যায় ফিরে রিসোর্ট এ ফ্রেশ হয়ে বাজারে ঘোরাঘুরি করে রাতের খাবার খেয়ে নেব।

-২২ নভেম্বর, সকালে নাস্তা করবো (এখানে একটি বিখ্যাত লোকাল খাবার এর ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করবো, সিচুয়েশন এর জন্য না পারলে বাজারেই নাস্তা সেরে নিব) নাস্তা সেরে চলে যাবো বিচ দেখতে, অনেক বড় বিচ, তবে এখানে অনেক কাঁদা থাকে, প্রায় হাঁটু সমান।
সেখানে আছে কবিরাজের চর, চৌধুরী খাল। সম্ভাব্য পরিদর্শন শেষে ফিরে এসে লাঞ্চ সেরে একটু রেস্ট করা যাবে। কেও চাইলে আবারো বনে যেতে পারে ঘুরতে। সন্ধ্যার পর বার বি কিউ এর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে। তারপর ঘুম।

-২৩ নভেম্বর, ভোরে উঠে নাস্তা সেরে নৌকায় করে যেতে হবে হাতিয়া, সেখান থেকে লঞ্চ ছাড়বে ১২ টায়। আমরা কেবিনে শেয়ার বেসিসে আসবো। প্রতিটি বেডে দুইজন হিসেবে।

-তারপর পরদিন ২৪ নভেম্বর সকালে ঢাকায় থাকবো আমরা।

(উপরের প্ল্যান সেখানে গিয়ে পরিস্থিতির সাথে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন হতেই পারে, তবে সবাইকে অবগত করে সবার সাথে আলোচনা করেই হবে সেই পরিবর্তন বা পরিবর্ধন)

আসন সংখ্যা: ১২/২৪ ।।

** যা যা থাকছে এর মধ্যে:
-২০ তারিখ সকালের খাবার থেকে শুরু করে আসার দিন রাতের খাবার পর্যন্ত।
– লঞ্চের ডেকে যাওয়া
– কেবিনে শেয়ার বেসিসে ফেরা ( ডাবল রুমে ৪ জন)।
-এক রাতে থাকবে বারবিকিউ আর এক রাতে হাসের মাংস
– রিসোর্টে থাকার খরচ
– আভ্যন্তরীণ যাতায়াতের খরচ (গ্রুপের প্ল্যানের মধ্যে যেগুলো আছে)

** যা থাকছেনাঃ
-কোন ব্যক্তিগত খরচ
-কোন ঔষধ
-প্যাকেজের বাইরে কোন খাবার খেলে বা অন্য কোন খরচ করলে

** যা সাথে নেওয়া উচিত:
– মশা থেকে বাঁচার জন্য অডোমস
– গামছা নিবেন যেন রোদে মাথায় ঢেকে হাঁটা যায়
– সানগ্লাস, হ্যাট, সান ক্রিম (যদি অতিরিক্ত ত্বক সচেতন হন)
– ব্রাশ ,প্রয়োজনীয় ঔষধ
– মোবাইলের রেইন কভার (বৃষ্টি হলেও ভিডিও ও ছবি তোলার জন্য,এবং মোবাইলের প্রোটেকশন এর জন্য)
– কমেরা এবং এর এক্সট্রা ব্যাটারি
– চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক

*******
কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপার গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে:
* এই ট্রিপ এ মোটামুটি হাঁটতে হতে পারে বিভিন্ন যায়গায়, যদিও খুব বেশি নয়।
* এখানে এক রুমে সবাই মিলে থাকতে হতে পারে, অবশ্যই মেয়েদের আলাদা থাকার যায়গা থাকবে।
* কেও আলাদা রুম নিতে চাইলে সেই ক্ষেত্রে কথা বলতে হবে আর জানাতে হবে আগে থেকেই, সম্ভব হলে করা হবে। অন্যথায় মেয়েরা আলাদা রুমে, ছেলেরা আলাদা রুমে থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

*******
** টাকা পাঠানোর উপায় (ব্যাংক এ লেনদেন সবচেয়ে সেইফ এবং আমরাও উৎসাহিত করি ব্যাংক এ লেনদেন করতে, তারচেয়েও সেইফ হচ্ছে অফিসে এসে টাকা জমা দিয়ে ট্রিপ কনফার্মেশন টোকেন নিয়ে যাওয়া)

অফিসের ঠিকানা: আমাদের অফিসের ঠিকানা:
বিল্ডিং নাম্বার ২০, রোড নাম্বার ২,
জি ব্লক, এভিনিউ ২, লাভ রোড, স্নপাইসি ফুড হাউজ তিন তলা,
মিরপুর ২ (স্ট্যাডিয়াম এর তিন নাম্বার গেট এর উলটা দিকে, ন্যাশনাল প্রাথমিক বিদ্যালয়য়ের পাশে)

Tour Group BD
#16411026552
Dutch Bangla Bank Ltd.
(Mirpur Branch)

01840238946 (মার্চেন্ট একাউন্ট, এই নাম্বারে খরচ সহ পেমেন্ট অপশন থেকে টাকা পাঠিয়ে ট্রিপের কনফার্মেশন বুঝে নিবেন)

016731112379 DBBL রকেট একাউন্ট
(খরচ সহ পাঠাতে হবে)

ইভেন্টের হোস্টের কাছেও জমা দিতে পারেন।

** শর্ত সমুহঃ
১- প্রথমেই একটি ভ্রমণ পিপাসু মন থাকতে হবে।
২- ভ্রমণ কালীন যে কোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।
৩- ভ্রমণ সুন্দর মত পরিচালনা করার জন্য সবাই আমাদেরকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে।
৪- আমরা শালীনতার মধ্যে থেকে সরবোচ্য আনন্দ উপভোগ করব।
৫- প্রতিটি যায়গা ই আমাদের নিজেদের, তাই তার সৌন্দর্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। যেন টুরিসম এর কোন ক্ষতি না হয়, সেটা সরবোচ্য প্রাধান্য দিতে হবে।
৬- অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, যেটা আমরা সকলে মিলেই ঠিক করব।
৭- স্থানীয়দের সাথে কোন রকম বিরূপ আচরণ করা যাবে না। নতুন কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ট্রিপ হোস্টের সহায়তা নিতে হবে।
৮- কোনভাবেই কোন প্রকার মাদক সেবন বা সাথে বহন করা যাবে না। সাথে পাওয়া গেলে তাকে বা তাদেরকে তৎক্ষণাৎ ট্রিপ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে গ্রুপের অন্য সবার সাথে সিদ্ধান্ত নিয়ে।
৯- দুর্ঘটনা বলে কয়ে আসে না তাই যে কোন প্রকার দুর্ঘটনা সকলে মিলে মোকাবেলা করতে হবে ।
** ১০- এই গ্রুপ সম্পূর্ণ ভ্রমণপিপাসুদের গ্রুপ। এখানে কোন প্রকার অশ্লীলতার কোন রকম সুযোগ নেই। কোন রকম অসৎ উদ্দেশ্যে যদি কেও আমাদের সাথে ভ্রমণে যান, সেটি বুঝে যেতে আমাদের খুব বেশি সময় লাগে না। এবং সেই মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা নিবো।

** ভ্রমণের জন্য যে কেও আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ছেলে/ মেয়ে সকলেই যেতে পারবে।

আমাদের গ্রুপ এর ঠিকানা: https://www.facebook.com/groups/TourgroupBd/
আমাদের পেজের ঠিকানা: https://www.facebook.com/TourgroupBd/

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *